• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

বেতন না পেয়ে পরিবারসহ কুয়োয় ঝাঁপ, ৯ লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২৩ মে ।। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। এরই মধ্যে কয়েকটি দেশে ভয়ঙ্কর প্রকোপ নিয়েছে এই ভাইরাস। যার ফলে কিছু কিছু দেশে লকডাউন চলছে। এই লকডাউনের মধ্যে মর্মান্তিক এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের তেলেঙ্গানায়। সেখানে এক কুয়োয় ঝাঁপ দিয়ে একই পরিবারের ছয়জনসহ ৯ জন আত্মহত্যা করেছেন।

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, লকডাউনে দুমাস বেতন না-পাওয়া শ্রমিক ও তাদের পরিবার মিলিয়ে ৯ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে তেলঙ্গানার গ্রামে এক কুয়ো থেকে। নিহতদের মধ্যে ৬ জন পশ্চিমবঙ্গের এবং একই পরিবারের। দুজন বিহারের ও একজন ত্রিপুরার।

পুলিশের ধারণা, লকডাউনে বেতন না পেয়ে অভাবের তাড়নায় তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এটা গণআত্মহত্যা। শ্রমিকরা ঘরে ফিরতে পারছিলেন না। দু’মাস ধরে জুটমিল ও অন্য কারখানা থেকে বেতন পাননি তারা। ঘরে ফিরতে না-পারা, আশ্রয় হারানো এবং চরম আর্থিক সঙ্কট নিয়ে সবারই অবস্থা ছিল কোণঠাসা।

পুলিশ আরো জানায়, মৃত শ্রমিকদের কারো শরীরে আঘাতের চিহ্নও নেই। ফলে হত্যার ঘটনা হওয়ার সম্ভবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে। খবরে আরো বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের মকসুদ আলম ২০ বছর আগে গোরেকন্টার এক জুট মিলে কাজ পান। কারখানা লাগোয়ো দুটি ঘরে সপরিবার থাকতেন তিনি। লকডাউনে বেতন বন্ধ হয়। হারান আশ্রয়ও।

স্থানীয় এক দোকানদার নিজের গুদামে আশ্রয় দিয়েছিলেন তাদের। তারই কাছে এই কুয়োটি থেকে মিলেছে মকসুদ, তার স্ত্রী নিশা, দুই ছেলে সোহেল ও শাবাদ, মেয়ে বুশরা খাতুন এবং তিন বছরের নাতি শাকিলের লাশ। ত্রিপুরার বাসিন্দা শাকিল আহমেদ জুট মিলের গাড়ি চালাতেন। এছাড়া বিহারের শ্রীরাম ও শ্যাম অন্য একটি কারখানায় কাজ করতেন।

তবে তারা সবাই একই কুয়োয় কিভাবে মারা গেলেন পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ